কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাকের আহম্মদ (৪৫) নামের ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১৫ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কচ্ছপিয়া জমজম স্টোরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে সাকের আহম্মদকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার সাকের আহম্মদ টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কচ্ছপিয়া বড় ডেইল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাকের আহম্মদ একটি মাদক মামলায় আদালতের দেওয়া সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আদালতের রায়ের পর তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাজা হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে সাকের আহম্মদ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পরে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
অভিযানে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোয়েন্দা তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সাকের আহম্মদের ক্ষেত্রেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
তবে কোন মাদক মামলায় এবং কোন আদালতের রায়ে তিনি সাত বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন, মূল তথ্যসূত্রে সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।