• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন

এসএসএফের সাবেক ডিজি মজিবুরের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

newsline24 / ১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
এসএসএফের সাবেক ডিজি মজিবুরের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা
এসএসএফের সাবেক ডিজি মজিবুরের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর একটি মামলায় শুধু মজিবুর রহমানকে আসামি করা হবে। অপর মামলায় তার সঙ্গে আসামি করা হবে স্ত্রী তাসরীন মুজিবকে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মজিবুর রহমানের নামে ২ কোটি ৭১ লাখ ৬ হাজার ২৫২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবের নামে পাওয়া গেছে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকা মূল্যের সম্পদ, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদক বলছে, সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মজিবুর রহমান বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। অনুসন্ধানে তার নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মজিবুর রহমান অসাধু উপায়ে এসব সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করে তা নিজের দখলে রেখেছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অন্য মামলাটি করা হবে মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবের বিরুদ্ধে। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, তাসরীন মুজিবের নামে থাকা ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকার সম্পদের বৈধ ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, স্বামীর সহায়তায় অসাধু উপায়ে ওই সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন তাসরীন মুজিব এবং পরে তা ভোগদখলে রাখেন। এ অভিযোগেও একই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।

তবে মামলা করার অনুমোদন দেওয়া এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মামলা হওয়ার পর তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

দুদকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুটি মামলায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের মালিকানা ও তা ভোগদখলের বিষয়গুলোই মূল অভিযোগ হিসেবে সামনে থাকছে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category