• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

ধানমন্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা লুট, অ*স্ত্র-গু*লিসহ আটক ৮

newsline24 / ৮ Time View
Update : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ধানমন্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা লুট, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৮
ধানমন্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা লুট, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৮

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় একটি ডাকাত চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি এবং লুট হওয়া ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন এখনো পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার এবং বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—তানভীর আবেদীন ওরফে জুই (৪১), মো. মজিবুর রহমান (৬০), মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির (৬০), মো. সোলায়মান মৃধা (৫৫), মোহাম্মদ কবির হোসেন (৫০), আবুল কালাম আজাদ (৫০), মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন (৪০) এবং সজল চৌধুরী (৩১)।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে ধানমন্ডি ১২/এ নম্বর সড়কে ডিঙ্গী রেস্টুরেন্টের সামনে মো. খোরশেদ আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা নিয়ে যায় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল। টাকা নিয়ে পালানোর সময় ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তানভীর আবেদীন ও মজিবুর রহমানকে আটক করা হয়।

আটকের সময় তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি দেশীয় রিভলবার উদ্ধার করা হয়। পরে মজিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসব অভিযানে ডাকাত চক্রের আরও পাঁচ সদস্য—সোলায়মান মৃধা, মোহাম্মদ কবির হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন এবং সজল চৌধুরী—গ্রেপ্তার হন।

অভিযানে জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিনের কাছ থেকে ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ টাকা এবং সজল চৌধুরীর কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে লুট হওয়া অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে পুলিশ।

তবে ৩৮ লাখ টাকার পুরো অর্থ এখনো উদ্ধার হয়নি। পাশাপাশি ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া এবং শনাক্ত না হওয়া অন্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় ডাকাতির অভিযোগে একটি মামলা এবং আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের মাধ্যমে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয়, ঘটনার পরিকল্পনা এবং লুট হওয়া অর্থের অবশিষ্ট অংশের বিষয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category