• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল ইমনের নিথর দেহ

newsline24 / ১০ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল ইমনের নিথর দেহ
নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবায় মিলল ইমনের নিথর দেহ

যশোর সদর উপজেলার সীতারামপুর বাগানপাড়া এলাকায় বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ইমন হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা ডোবায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ইমন হোসেন সীতারামপুর বাগানপাড়া এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি বাক্‌ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সকাল সাতটার দিকে বাড়ি থেকে বের হন ইমন। এরপর নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। প্রথমে পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর সন্ধান করতে থাকেন। আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, পরিচিত স্থান এবং আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজ করেও ইমনের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপরও তাঁর সন্ধানে স্থানীয়ভাবে খোঁজ চলতে থাকে।

শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে বাড়ির অদূরে একটি ডোবায় স্থানীয় কয়েকজন ইমনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। ডোবাটি স্থানীয় শফি নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন বলে জানা গেছে। মরদেহ দেখতে পাওয়ার পর বিষয়টি দ্রুত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের জানানো হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

পুলিশ ডোবা থেকে ইমনের মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁর মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, নিখোঁজের দুই দিন পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ইমন কীভাবে ওই ডোবায় গেলেন বা সেখানে তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায়নি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পরবর্তী আইনগত ও ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নিখোঁজের পর বাড়ির এত কাছেই তাঁর মরদেহ পাওয়ায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনাটি দুর্ঘটনা, পানিতে ডুবে মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category