• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিটি পয়সা জনকল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলা: সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ গ্রেফতার রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু, গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের পথে বড় অগ্রগতি মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সীমান্তে ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বাধা বিজিবির স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিকল্পনা, নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার মিডওয়াইফ ইট ভেঙেছেন, কৃষিকাজ করেছেন, সেই আমিনুল এখন বিসিএস ক্যাডার রিয়াদে প্রাণঘাতী হামলা, হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানে যুক্ত হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ, স্থগিত ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব উড়োজাহাজ চলাচল দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা, মুক্ত ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছাল ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রোটনের লাশ

পানির ন্যায্য হিস্যা দিলেই ভারতের বন্ধুত্বের প্রমাণ মিলবে: প্রতিমন্ত্রী

newsline24 / ১১ Time View
Update : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
পানির ন্যায্য হিস্যা দিলেই ভারতের বন্ধুত্বের প্রমাণ মিলবে প্রতিমন্ত্রী
পানির ন্যায্য হিস্যা দিলেই ভারতের বন্ধুত্বের প্রমাণ মিলবে প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের ন্যায্য পানির হিস্যা নিশ্চিত করে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে কার্যকর নিশ্চয়তা যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মীরগড় এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণের জন্য নির্ধারিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ আগামী ১২ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বণ্টন করবে বলে তিনি আশা করেন। তাঁর মতে, দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হলে পানিবণ্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের সময় এমন নিশ্চয়তা যুক্ত করা প্রয়োজন, যাতে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকে। চুক্তিতে কার্যকর নিশ্চয়তা বা ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ অন্তর্ভুক্ত করা হলে পানিবণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দেশটির রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সে প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের ন্যায্য পানির অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারত চাইলে প্রমাণ করতে পারে যে তারা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের বন্ধু। দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং ন্যায্যতার প্রতিফলন থাকা জরুরি বলেও তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এর নবায়ন এবং ভবিষ্যৎ পানিবণ্টনের শর্ত নিয়ে আলোচনা দুই দেশের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ। শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ, নদীর নাব্যতা ও জনজীবনের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

পরে প্রতিমন্ত্রী পঞ্চগড় জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category