• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

newsline24 / ১২ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

খুলনায় আজমল নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। নিহত আজমল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে আজমলকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন ব্যক্তি। হাসপাতালে আনার সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা জানান, চুরির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চারতলায় চুরি করতে গিয়ে আটকের ভয়ে আজমল লাফ দিয়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।

তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার শরীরে পাওয়া বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজমলকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা হয়। এর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল সূত্র আরও জানিয়েছে, আজমলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বিশেষ করে হাত ও পায়ে একাধিক দাগ দেখা গেছে। তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। এসব আলামতের কারণে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে হলে আজমল কীভাবে আহত হয়েছেন এবং তার শরীরে থাকা আঘাতের চিহ্নগুলোর উৎস কী—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া জরুরি। প্রাথমিকভাবে সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের দেওয়া বক্তব্যে চারতলা থেকে পড়ে আহত হওয়ার কথা বলা হলেও, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার তথ্য ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এসব বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ প্রয়োজন।

হাসপাতালে ভর্তির সময় আজমলের পরিচয় হিসেবে বাবার নাম কুতুব এবং ঠিকানা গল্লামারি, হরিণটানা, খুলনা উল্লেখ করা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আজমল কী পরিস্থিতিতে আহত হয়েছিলেন, কারা তাকে আটক করেছিলেন এবং হাসপাতালে নেওয়ার আগে তার সঙ্গে কী ঘটেছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category