সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্তকে তাদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক ও সহসভাপতি পদমর্যাদার কর্মকর্তা শিবলী সাদিক শিবলু ওই বার্তা পাঠান।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রিপন হোসেন ও আল-আমিন হোসেন শান্ত এখন থেকে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকছেন না। তবে তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলো কী, সে বিষয়ে প্রকাশিত বার্তায় বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান লিপকন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃত দুই নেতার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের কাঠামোর দিক থেকে এ সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণত কোনো নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংগঠন তদন্ত বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পদে থাকা বা না থাকার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়। তবে এই ঘটনায় অভিযোগের ধরন, ঘটনার সময় বা বহিষ্কারের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিমানবন্দর থানা ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। ফলে থানা পর্যায়ের দুই শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থানীয় পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে বহিষ্কারের পর বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে এবং পরবর্তী সময়ে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে ওই বার্তায় কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে জানানো সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী রিপন হোসেন ও আল-আমিন হোসেন শান্তর সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ বা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন না। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদই নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় পড়ল।