• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন

মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

newsline24 / ১২ Time View
Update : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একই আদেশে কারাগারে থাকা সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকতকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন গত ১৬ সেপ্টেম্বর এই আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। অভিযোগে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় উসকানি, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের মাধ্যমে অভিযুক্তদের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় মাকসুদ কামাল ও জাফর ইকবাল ছাড়াও রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শায়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।

অভিযুক্তদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানবীর হাসান সৈকত কারাগারে রয়েছেন। অন্য পাঁচজনকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রসিকিউশন। পলাতক আসামিদের মধ্যে মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবাল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ও মাজহারুল কবির শায়ন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং পরবর্তী সময়ে তা দেশজুড়ে বিস্তৃত হয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলন পরবর্তীতে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রূপ নেয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ আমলে নেওয়া বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি ধাপ। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত বিচারিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে। এদিকে ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক আদেশের ফলে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category