• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

ভারতে যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশনে ধরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

newsline24 / ১৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ভারতে যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশনে ধরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা
ভারতে যাওয়ার পথে ইমিগ্রেশনে ধরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় মো. ইদ্রিস আলী (৩৫) নামে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তার কাগজপত্র ও তথ্য যাচাইয়ের সময় তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে। তিনি আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ইদ্রিস আলী তার ছোট বোন ও এক ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আখাউড়া স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। তার কাছে ভারতের বৈধ ভিসা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী ইমিগ্রেশন পুলিশ তার পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ডাটাবেজে তথ্য যাচাই করে।

এ সময় যাচাই-বাছাইয়ে ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য উঠে আসে। একই সঙ্গে এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আর ভারতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

পরে ইদ্রিস আলীকে আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে ঢাকার আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ইদ্রিস আলী বর্তমানে আখাউড়া থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ইদ্রিস আলীর সঙ্গে ভারতে যাওয়ার জন্য আসা তার ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা পাওয়া যায়নি। ফলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ বা আটকের প্রয়োজন হয়নি এবং তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যার ঘটনায় ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে নিয়মিত যাচাইয়ের সময় মামলার তথ্য শনাক্ত হওয়ার পরই তার বিদেশযাত্রা আটকে যায়। বর্তমানে তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category