• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

ডিজেল-পেট্রল-অকটেনে বড় মূল্যবৃদ্ধি, বাড়ল ২০ টাকা

newsline24 / ১৭ Time View
Update : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ডিজেল-পেট্রল-অকটেনে বড় মূল্যবৃদ্ধি, বাড়ল ২০ টাকা
ডিজেল-পেট্রল-অকটেনে বড় মূল্যবৃদ্ধি, বাড়ল ২০ টাকা

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ২০ টাকা করে এবং পেট্রল ও অকটেনের দাম ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য আজ রোববার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এতদিন ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া ডিজেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার। কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা হয়েছে।

অন্যদিকে, পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৮ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হলেও প্রায় পাঁচ মাস দেশে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে জ্বালানি পরিবহনের ফ্রেইট চার্জও বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দীর্ঘ সময় দেশের বাজারে সেই অনুপাতে দাম সমন্বয় করা হয়নি। এর ফলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে।

জ্বালানি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে জ্বালানি তেল বিক্রিতে বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং বিপিসির আর্থিক ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে এবার দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর পরিবহন ও অন্যান্য খাতে জ্বালানি ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। তবে নতুন মূল্য নির্ধারণের প্রজ্ঞাপনে সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য পরিস্থিতি, ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধি এবং বিপিসির লোকসানকে দাম সমন্বয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category