• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

টমেটো খাওয়ার সঙ্গে ফ্যাটি লিভার কমার ইঙ্গিত

newsline24 / ৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
টমেটো খাওয়ার সঙ্গে ফ্যাটি লিভার কমার ইঙ্গিত
টমেটো খাওয়ার সঙ্গে ফ্যাটি লিভার কমার ইঙ্গিত

প্রতিদিনের খাবারে টমেটো রাখলে ফ্যাটি লিভারে জমে থাকা চর্বি কমতে পারে—নতুন এক গবেষণায় এমনই সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। ইতালির গবেষকদের পরিচালিত একটি ছোট পরিসরের পরীক্ষায় দেখা গেছে, ছয় সপ্তাহ নিয়মিত টমেটো খাওয়া ব্যক্তিদের লিভারে জমে থাকা চর্বি, টমেটো না খাওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় বেশি কমেছে।

তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ফলাফলকে টমেটোর সরাসরি চিকিৎসাগুণের প্রমাণ হিসেবে দেখা যাবে না। টমেটো খাওয়ার সঙ্গে লিভারে চর্বি কমার সম্পর্ক আরও নিশ্চিত করতে বড় পরিসরে ও দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা প্রয়োজন।

কীভাবে করা হয়েছে গবেষণা

ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির গবেষকেরা ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ৭৯ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে গবেষণাটি পরিচালনা করেন। অংশগ্রহণকারীদের সবার বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই ছিল ৩০ কিংবা তার কম।

গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দুটি দলে ভাগ করা হয়। প্রথম দলের সদস্যদের ছয় সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো খেতে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে তাঁদের ৫০ গ্রাম টমেটো সসও খেতে বলা হয়। ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো প্রায় একটি বড় টমেটোর সমপরিমাণ।

অন্য দলটি টমেটো বাদ দিয়ে তাদের নির্ধারিত খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে। ছয় সপ্তাহ পর গবেষকেরা বিশেষ স্ক্যানের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের লিভারে জমে থাকা চর্বির মাত্রা পরীক্ষা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, ছয় সপ্তাহ শেষে দুই দলেরই লিভারে জমা চর্বি কমেছে। তবে টমেটো খাওয়া দলের ক্ষেত্রে হ্রাসের হার ছিল বেশি। গবেষণার শুরুতে যে মাত্রায় চর্বি ছিল, তার তুলনায় টমেটো খাওয়া দলের লিভারে চর্বি প্রায় ১১ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, টমেটো না খাওয়া দলের কমার হার ছিল প্রায় ৬ শতাংশ।

অর্থাৎ দুই দলের মধ্যেই উন্নতি দেখা গেলেও টমেটো খাওয়া দলের পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। এই ফলাফলই গবেষকদের টমেটো ও লিভারের চর্বি কমার সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে আরও গবেষণার আগ্রহ তৈরি করেছে।

ফ্যাটি লিভার কেন গুরুত্বপূর্ণ

লিভারে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ বা এনএএফএলডির সঙ্গে স্থূলতা, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো বিপাকীয় সমস্যার সম্পর্ক রয়েছে।

শুরুতে অনেকের ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভারের তেমন কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। কিন্তু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে লিভারে প্রদাহ ও ক্ষত তৈরি হতে পারে। রোগের অবস্থা গুরুতর হলে লিভারের কার্যক্ষমতাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ কারণে ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে শুধু একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

টমেটো কেন আলোচনায়

টমেটোতে বিভিন্ন পুষ্টি ও জৈব সক্রিয় উপাদান রয়েছে। এর মধ্যে লাইকোপিন অন্যতম পরিচিত উপাদান। টমেটো ও লাইকোপিন নিয়ে আগেও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে গবেষণা হয়েছে। নতুন গবেষণাটিও লিভারের চর্বির সঙ্গে টমেটো খাওয়ার সম্ভাব্য সম্পর্কের দিকে নজর দিয়েছে।

তবে এই গবেষণা থেকে নিশ্চিত


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category