• শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দৌলতপুর উপজেলা সমিতি ঢাকা,কুষ্টিয়ার বার্ষিক সাধারনসভা ও বনভোজন-২০২৬ অনুষ্ঠিত।। রাজশাহী বাঘা পদ্মার সীমান্তে অস্ত্র, গুলি ও ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার,আটক ১ দৌলতপুরে পদ্মার চরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের নীরবতা, জনমনে উদ্বেগ।। রাজশাহী বাঘার পদ্মারচরের চৌদ্দহাজার মৌজায় অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য-জরিমানা নওগাঁয় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলমান সফল অভিযান,দৃঢ় নেতৃত্বে এসপি তারিকুল ইসলাম আইপিএলের চূড়ান্ত নিলামে জায়গা পেলেন ৩৫০ জন উচ্চ গতির রেল চুক্তি সই সৌদি আরব ও কাতারের নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না: নজরুল ইতিহাস গড়ে কত টাকা পেল মেসিরা রাবির এক আসনের বিপরীতে লড়বেন ৬৮ ভর্তিচ্ছু

রাজশাহী বাঘার পদ্মারচরের চৌদ্দহাজার মৌজায় অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য-জরিমানা

newsline24 / ২১১ Time View
Update : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢাকা নিউজলাইন ডেস্ক:-রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন লক্ষীনগর মৌজায় ইজারা গ্রহণকারী মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী এস. এম. এখলাস আহমেদের নামে ২৪ একর এলাকায় বালু উত্তোলনের অনুমতি থাকলেও উক্ত ইজারাকৃত এলাকায় বাস্তবে কোনো বালু উত্তোলনের স্থান নেই বলে জানা গেছে।এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাঘা উপজেলার সীমানা অতিক্রম করে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের চৌদ্দহাজার মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল।স্থানীয়দের অভিযোগ,পদ্মা নদীর চর জাগলেই বাঘা উপজেলার কয়েকটি বালু খেকো সিন্ডিকেট সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনে মরিয়া হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য,চৌদ্দহাজার মৌজার চরাঞ্চল দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের আবাদি জমির অন্তর্ভুক্ত।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর রাজশাহী বিভাগের কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।নির্দেশনা অনুযায়ী বাঘা উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান।এ সময় বাঘা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে আটক করেন।আটককৃতরা হলেন—নয়ন আলী ও আরেকজন নৌকার মাঝি।পরবর্তীতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬২ নং আইন) এর ১৫(১) ধারায় তাদের দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাঘা উপজেলা ভূমি সহকারী (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) সাবিহা সুলতানা ডলি।এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।কোনো বালু দুষ্কৃতকারীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category