ঢাকা নিউজলাইন ডেস্ক:-রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন লক্ষীনগর মৌজায় ইজারা গ্রহণকারী মেসার্স সরকার ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী এস. এম. এখলাস আহমেদের নামে ২৪ একর এলাকায় বালু উত্তোলনের অনুমতি থাকলেও উক্ত ইজারাকৃত এলাকায় বাস্তবে কোনো বালু উত্তোলনের স্থান নেই বলে জানা গেছে।এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাঘা উপজেলার সীমানা অতিক্রম করে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের চৌদ্দহাজার মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল।স্থানীয়দের অভিযোগ,পদ্মা নদীর চর জাগলেই বাঘা উপজেলার কয়েকটি বালু খেকো সিন্ডিকেট সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনে মরিয়া হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য,চৌদ্দহাজার মৌজার চরাঞ্চল দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের আবাদি জমির অন্তর্ভুক্ত।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর রাজশাহী বিভাগের কমিশনার,জেলা প্রশাসক ও বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।নির্দেশনা অনুযায়ী বাঘা উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান।এ সময় বাঘা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে আটক করেন।আটককৃতরা হলেন—নয়ন আলী ও আরেকজন নৌকার মাঝি।পরবর্তীতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬২ নং আইন) এর ১৫(১) ধারায় তাদের দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাঘা উপজেলা ভূমি সহকারী (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) সাবিহা সুলতানা ডলি।এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।কোনো বালু দুষ্কৃতকারীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”