• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে মিলল দুই লাখ ইয়াবা

newsline24 / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে মিলল দুই লাখ ইয়াবা
উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে মিলল দুই লাখ ইয়াবা

কক্সবাজারের উখিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে দুই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অভিযানের সময় মাদক কারবারে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি বড় ইয়াবার চালান ফেলে সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটের দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মরাগাছতলা রোহিঙ্গা মার্কেটের সামনে এ অভিযান চালানো হয়। কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে সড়কের কাছ থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার পুলিশ সূত্র জানায়, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিল। অভিযান চলাকালে সড়কের পাশে একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন পুলিশ সদস্যরা। বস্তাটি সেখানে অস্বাভাবিকভাবে পড়ে থাকায় তাঁদের সন্দেহ হয়।

পরে পুলিশ বস্তাটি তল্লাশি করে। তল্লাশির সময় বস্তার ভেতরে ২০টি কার্ডে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট দুই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিরা চালানটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ফলে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশ ইয়াবার বস্তাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

এত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার বিষয়টি এখন পুলিশের তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইয়াবাগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার করা ইয়াবার চালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হয়। সীমান্তপথে মাদক প্রবেশ ঠেকানোর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে এর সরবরাহ বন্ধ করাও এসব অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। মঙ্গলবারের অভিযানে দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার সেই তৎপরতারই একটি বড় উদাহরণ।

তবে চালানটি উদ্ধার হলেও এর সঙ্গে জড়িত কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা যায়নি। ফলে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করে তাঁদের আইনের আওতায় আনা এখন পুলিশের জন্য প্রধান কাজ। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস ও গন্তব্য সম্পর্কে তদন্তে কী তথ্য পাওয়া যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category