• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজশাহী ডিসি অফিসের পাশেই মাদকের আখড়া, ড্রেনে ফেনসিডিলের বোতল প্রাথমিক শিক্ষায় ৪১ হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, বদলিতে আসছে অনলাইন ব্যবস্থা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক পরীমনির গ্রেপ্তারের দাবিতে দোহারে সাংবাদিকদের মানববন্ধন দেবিদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষের সভা ঘিরে উত্তেজনা, ভাঙচুর গাড়ি শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি যৌক্তিক, বললেন নুর দৌলতপুরে অপরাধীদের ছাড় নয়! মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধ দমনে মাঠে পুলিশ-বৈরাগীরচরে মতবিনিময়। ২৩ নভেম্বর প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল, আবেদন প্রায় ৩ লাখ সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে তারেক রহমান মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, সরকারকে ১৫ দিনের আলটিমেটাম শিশির মনিরের

নাশকতা ঠেকাতে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

newsline24 / ২৪ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
নাশকতা ঠেকাতে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
নাশকতা ঠেকাতে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও নাশকতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে থেকে যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব ঐক্যবদ্ধভাবেই দেওয়া হবে। বাংলাদেশের মানুষকে অতীতেও কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।

শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ, রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক চাপকে কেন্দ্র করে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। বিশেষ করে তৈরি পোশাকশিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতে কোনো ধরনের দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সরকারের চ্যালেঞ্জ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহব্যবস্থার অনিশ্চয়তা।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়ে বিভিন্নভাবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন, শিল্পকারখানার পরিচালন ব্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও এর প্রভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকশিল্পের মতো রপ্তানিনির্ভর খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক নেতৃত্ব এবং নাগরিক সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। কিন্তু জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের পরিবর্তে রাজনৈতিক সংঘাত বাড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শ্রমিক অসন্তোষ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ ও আন্দোলনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, কর্মপরিবেশ, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার প্রশ্নে তৈরি হওয়া অসন্তোষ শিল্প খাতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

তবে শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক নেতার অভিযোগ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের সাবেক নেতাকর্মীদের একটি অংশ শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী শ্রমিকদের ব্যবহার করে সরকারকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন। গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরের শ্রমিক আন্দোলনে রাজনৈতিক কর্মীদের অনুপ্রবেশ এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও যাচাই প্রয়োজন। কারণ শ্রমিকদের প্রকৃত দাবি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংঘটিত কোনো কর্মকাণ্ডকে এক করে দেখলে প্রকৃত সমস্যার সমাধান কঠিন হয়ে পড়বে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখাও জরুরি।

বিরোধী দলের আন্দোলন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও উত্তেজনা বাড়ছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসনসহ সাত দফা দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য বিভিন্ন বিভাগ অভিমুখে লং মার্চ কর্মসূচি পালন করছে।

গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লং মার্চের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় দফা এবং ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে তৃতীয় দফার কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসব কর্মসূচিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের বিভিন্ন শরিক দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্যে সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা, দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা উঠে এসেছে। সামনে বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেও একই ধরনের কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের আন্দোলন, সরকারের সমালোচনা এবং জনগণের দাবি তুলে ধরা রাজনৈতিক অধিকারের অংশ। তবে এসব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ রাখা এবং জনজীবনে অযথা দুর্ভোগ সৃষ্টি না করা সব পক্ষের দায়িত্ব। একইভাবে সরকারেরও উচিত বিরোধী দলের বক্তব্য ও দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা।

সরকারের মেয়াদের মাত্র আট মাসের মাথায় বিরোধী জোটের ধারাবাহিক লং মার্চ এবং সরকারবিরোধী কঠোর বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য কেবল দাবি আদায়, নাকি সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানো—তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে সংঘাতের দিকে নিয়ে গেলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন

রাজনৈতিক উত্তেজনার পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নাশকতার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। নিবন্ধে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঢাকার আদাবর, শাহবাগ, বিমানবন্দর, খিলগাঁও ও মিরপুরের কালশী এলাকায় অন্তত আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই রাতে বারিধারার প্রগতি সরণিতে বৈশাখী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া হয়।

এর আগের দিন রায়েরবাজারে কৃষি মার্কেটের সামনে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে গাড়ির চালক আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া শনিবার মিরপুর-১২ নম্বর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। তবে বাসের কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আসে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। গণপরিবহনে আগুন দেওয়া কিংবা জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরক ব্যবহার শুধু সম্পদের ক্ষতি করে না, যাত্রী ও পথচারীদের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে। রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তবে প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। রাজনৈতিক অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়াই আইনের শাসনের দাবি।

জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জনগণের ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংহতির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই পার্থক্য যেন সহিংসতা, প্রতিশোধ কিংবা রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার কারণ না হয়।

দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা টেকসই করতে হলে সরকার ও বিরোধী—উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বিরোধী দলকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যদিকে সরকারকে বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা দেখানোর পাশাপাশি নাগরিকের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যবহার করে কেউ সহিংসতা বা নাশকতা চালানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থনীতি সচল রাখা, কর্মসংস্থান রক্ষা এবং শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেই সম্পর্কিত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭ নভেম্বরের সমাবেশে যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন, তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হলে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি কার্যকর উদ্যোগও প্রয়োজন। শুধু ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়; প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, শ্রমিক অসন্তোষের বাস্তবসম্মত সমাধান এবং রাজনৈতিক সংলাপ।

বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র, অধিকার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে সংগ্রাম করেছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব অনেক। দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে না দিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সরকার, বিরোধী দল এবং সাধারণ মানুষ—সবার সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। নাশকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিভাজন কমিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত সবার প্রধান লক্ষ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category