• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

জোড়া খুনের মামলায় ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদের সাজা ১০ বছর

newsline24 / ১৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জোড়া খুনের মামলায় ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদের সাজা ১০ বছর
জোড়া খুনের মামলায় ১০৪ বছরের নুর মুহাম্মদের সাজা ১০ বছর

কিশোরগঞ্জে জুয়েলারি দোকানে ডাকাতির সময় জোড়া খুনের মামলায় নুর মুহাম্মদের (১০৪) মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘদিন পর আত্মসমর্পণ করলে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ আদেশ দেন। আদালতে আত্মসমর্পণের পর নুর মুহাম্মদকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জ শহরের পপুলার স্টোরে। ওই দোকানে জুয়েলারির ব্যবসা পরিচালনা করতেন শহীদ মিয়া, শামসুদ্দীন ও মো. ফেরদৌস। ঈদের মৌসুমের বিক্রি শেষে ওই রাতে দোকানে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা এবং সিন্দুকে ১১০ ভরি স্বর্ণ রাখা হয়েছিল।

রাত ১টা পর্যন্ত ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে দোকানের মালিক ও কর্মীরা চলে যান। তবে দোকানের ভেতরে ছিলেন মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির। গভীর রাতে একদল ডাকাত দোকানে ঢুকে নগদ টাকা ও স্বর্ণ লুটের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দেওয়ায় মোশাররফ ও কবিরকে হত্যা করা হয়। পরে ডাকাতরা টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরের দিন, অর্থাৎ ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন দোকানের মালিক মো. ফেরদৌস। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কিশোরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু হয়। মামলাটি পরবর্তী সময়ে বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। বিচার চলাকালে আদালত মোট ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর তৎকালীন বিচারক মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মুহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

একই রায়ে জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া নামে এক আসামির মৃত্যু হয়।

পরে মামলার ডেথ রেফারেন্স ও সংশ্লিষ্ট আপিলের শুনানি হয় উচ্চ আদালতে। ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট আসামি আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। একই বিচারপ্রক্রিয়ায় নুর মুহাম্মদের ক্ষেত্রে সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।

দীর্ঘ সময় পর মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ১০৪ বছর বয়সী নুর মুহাম্মদ। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ফলে প্রায় ২৬ বছর আগে সংঘটিত ওই জোড়া খুন ও ডাকাতির মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামিকে অবশেষে কারাগারে যেতে হলো।

কিশোরগঞ্জে জুয়েলারি দোকানে ডাকাতির সময় জোড়া খুনের মামলায় নুর মুহাম্মদের (১০৪) মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘদিন পর আত্মসমর্পণ করলে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ আদেশ দেন। আদালতে আত্মসমর্পণের পর নুর মুহাম্মদকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জ শহরের পপুলার স্টোরে। ওই দোকানে জুয়েলারির ব্যবসা পরিচালনা করতেন শহীদ মিয়া, শামসুদ্দীন ও মো. ফেরদৌস। ঈদের মৌসুমের বিক্রি শেষে ওই রাতে দোকানে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টাকা এবং সিন্দুকে ১১০ ভরি স্বর্ণ রাখা হয়েছিল।

রাত ১টা পর্যন্ত ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে দোকানের মালিক ও কর্মীরা চলে যান। তবে দোকানের ভেতরে ছিলেন মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির। গভীর রাতে একদল ডাকাত দোকানে ঢুকে নগদ টাকা ও স্বর্ণ লুটের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দেওয়ায় মোশাররফ ও কবিরকে হত্যা করা হয়। পরে ডাকাতরা টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরের দিন, অর্থাৎ ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন দোকানের মালিক মো. ফেরদৌস। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কিশোরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু হয়। মামলাটি পরবর্তী সময়ে বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। বিচার চলাকালে আদালত মোট ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর তৎকালীন বিচারক মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মুহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

একই রায়ে জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া নামে এক আসামির মৃত্যু হয়।

পরে মামলার ডেথ রেফারেন্স ও সংশ্লিষ্ট আপিলের শুনানি হয় উচ্চ আদালতে। ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট আসামি আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। একই বিচারপ্রক্রিয়ায় নুর মুহাম্মদের ক্ষেত্রে সাজা কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।

দীর্ঘ সময় পর মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ১০৪ বছর বয়সী নুর মুহাম্মদ। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ফলে প্রায় ২৬ বছর আগে সংঘটিত ওই জোড়া খুন ও ডাকাতির মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামিকে অবশেষে কারাগারে যেতে হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category