• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
‘মারবা ঠিক আছে, বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে আসি’—তারপরও চলল নির্যাতন হারানো অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান মহাদেবপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, লুট টাকা-স্বর্ণ তার লম্বা, এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়’—মন্ত্রীর কথায় ক্ষুব্ধ ডেপুটি স্পিকার ভাঙ্গায় বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, নিহত ২ যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে হত্যাকাণ্ড: অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ দেশে ফেরার স্বপ্ন থামল সৌদির সড়কে, প্রাণ গেল ৪ বাংলাদেশির গ্যাস সরবরাহ বাড়লে কমবে লোডশেডিং জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাত মাসে নিখোঁজের ১৫ হাজার জিডি, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারের বেশি জুলাই আন্দোলনে স্বামী নিহত, সাক্ষ্য দেওয়ায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ

সাত মাসে নিখোঁজের ১৫ হাজার জিডি, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারের বেশি

newsline24 / ১৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাত মাসে নিখোঁজের ১৫ হাজার জিডি, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারের বেশি
সাত মাসে নিখোঁজের ১৫ হাজার জিডি, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারের বেশি

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশু-কিশোর নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত খুঁজে বের করতে প্রশাসনের তদারকি বাড়ানো, কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং নিখোঁজের সঙ্গে জড়িত অপরাধী চক্র শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের নিখোঁজ ও গুমের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে, কারণ নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক শিশুকে দীর্ঘ সময়েও উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পুলিশ সদর দপ্তরের বরাতে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে মহিলা পরিষদ জানায়, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ১৫ হাজার ২৪৩টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজারের বেশি শিশু-কিশোর এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এই পরিসংখ্যান শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন থানায় নিখোঁজের অভিযোগ নথিভুক্ত হলেও সব ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নিখোঁজের পর শিশুদের অবস্থান শনাক্ত, তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা আরও কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে।

মহিলা পরিষদ বলেছে, একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারকে অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় কোনো সন্ধান না মিললে সেই উদ্বেগ আরও তীব্র হয়। তাই প্রতিটি নিখোঁজের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের আওতায় আনা এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধারের উদ্যোগ নিতে হবে।

সংগঠনটি প্রশাসনের তদারকি জোরদারের পাশাপাশি শিশু নিখোঁজের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র জড়িত থাকলে তাদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিশু নিখোঁজের ঘটনা শুধু একটি পরিবারের সংকট নয়; এর সঙ্গে শিশুদের নিরাপত্তা, পরিবার ও সমাজের সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টিও জড়িত। এ কারণে নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে সমন্বিত ও দ্রুত পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category