রাজধানীর কদমতলীর নামা-শ্যামপুর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতে এক ছিনতাইকারীর মৃত্যু হয়েছে। পথচারীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করার সময় হাত ফসকে ছুরি পেছনে থাকা তাঁর সহযোগীর শরীরে বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে নামা-শ্যামপুরের বড়ইতলা ভাঙা ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তবে তাঁর নাম-পরিচয় এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, ভোরের দিকে ভাঙা ব্রিজের পাশে দুই পথচারীকে ঘিরে ধরে তিন ছিনতাইকারী। তাঁদের মধ্যে একজন এক পথচারীকে জাপটে ধরে রাখেন। এ সময় অন্য দুইজন ওই পথচারীর কাছ থেকে টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
একপর্যায়ে ছিনতাইকারীদের একজন সুইচগিয়ার দিয়ে ওই পথচারীকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। তখন পেছন থেকে তাঁকে জাপটে ধরে থাকা আরেক ছিনতাইকারীর শরীরে ছুরিটি বিদ্ধ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে যান।
ঘটনার পর দুই ছিনতাইকারী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। আহত ব্যক্তি সেখানে পড়ে থাকেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর হলেও তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত অপর দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং ওই তিনজনের পরিচয় কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব কুমার বাড়ৈ বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাঁর মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় পথচারীদের নিরাপত্তার মধ্যে এমন একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পুলিশের তদন্তে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও পুরো ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।