রোববার (৮ নভেম্বর) দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৭ নভেম্বর সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হওয়ার খবর তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী শোকবার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শোকবার্তায় তারেক রহমান নিহত বাংলাদেশিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। স্বজন হারানোর এই কঠিন সময়ে পরিবারের সদস্যরা যেন মানসিক শক্তি ও ধৈর্য ধারণ করতে পারেন, সেই কামনাও করেন তিনি। দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও কনস্যুলেটের মাধ্যমে নিহতদের পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।
সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবিকার তাগিদে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। প্রবাসে কোনো দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নাগরিকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট পরিবার নয়, দেশে থাকা স্বজনদের মধ্যেও গভীর শোকের সৃষ্টি করে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পর নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা, আহতদের চিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সৌদি আরবে সর্বশেষ এই দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস তাঁদের এই কঠিন সময়ে কিছুটা সহায়তা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ, নিহতদের পরিচয় এবং আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়নি।