রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি হয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বর্তমানে দেশে পুলিশের জনবল প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার। চলতি বছর ২০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও একসঙ্গে এত সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। এ জন্য নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি করতে হবে।
কিশোর গ্যাং দমনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিদের নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কমিটি জেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কাজ করবে। পাশাপাশি গুজব ও মব প্রতিরোধে দক্ষ সাইবার ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
যুবকদের অপরাধে জড়ানোর অন্যতম কারণ হিসেবে বেকারত্বের কথা উল্লেখ করে আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিবছর দেশে ২৭ লাখ বেকার যুক্ত হচ্ছেন। মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গত দুই মাসে মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার, পুলিশ এবং জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদক ও অপরাধ নির্মূলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঠিক তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক পারভীন আক্তার, বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।