• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

মঠবাড়িয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, উদ্ধার ককটেল

newsline24 / ১০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মঠবাড়িয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, উদ্ধার ককটেল
মঠবাড়িয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, উদ্ধার ককটেল

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের মিঠাখালী আলম বাজার এলাকায় বিএনপির একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা কার্যালয়ের শাটারের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে চেয়ার ও এলইডি টেলিভিশন ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে একদল অজ্ঞাত ব্যক্তি মিঠাখালী আলম বাজারে বিএনপির কার্যালয়ের শাটারের তালা ভেঙে প্রবেশ করে। পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রীতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ও একটি এলইডি টেলিভিশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ভাঙচুরের পাশাপাশি কার্যালয়ে টানানো বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

ভাঙচুরের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরে খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কার্যালয়টি পরিদর্শন করে।

পুলিশের পরিদর্শনের সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি ভাঙা প্লাস্টিকের চেয়ার, একটি ভাঙা এলইডি টেলিভিশন, একটি তালা এবং লাল কস্টেপ দিয়ে মোড়ানো দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। ককটেল দুটি কীভাবে সেখানে এল এবং কারা এগুলো রেখেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে পৌর বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন ফরাজী বলেন, রাতে তারা কার্যালয়ে ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে প্রশাসনকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

ওসি জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে কার্যালয়ে ভাঙচুরের পেছনে কারা জড়িত এবং ঘটনাটির সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলোর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category