• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবার পেল গাভী

newsline24 / ১৯ Time View
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবার পেল গাভী
প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবার পেল গাভী

বগুড়ার শিবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফিরোজা বেগমের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পরিবারের আয় ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে তাদের একটি গাভী দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সহায়তাকে নিহতের পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আয়ের একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান নিহত ফিরোজা বেগমের স্বজনদের হাতে গাভীটি তুলে দেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহাবুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া শিবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রউফ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক পবন রায়সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটির তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন তারা নিজেদের আয়ের ব্যবস্থা করতে পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই গাভী দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে দুধ বিক্রি কিংবা ভবিষ্যতে বাছুর পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে পরিবারটির নিয়মিত আয়ের একটি পথ তৈরি হতে পারে।

ইউএনও জিয়াউর রহমান বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে নিহতের পরিবারের জন্য স্থায়ী আয়ের একটি ব্যবস্থা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে সরকারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

যেভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনা

এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, এক বৃদ্ধা নারীকে বাঁচাতে গিয়ে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে প্রতিমন্ত্রী আহত হন।

ওই ঘটনায় ফিরোজা বেগমও আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর পরিবারের ওপর নেমে আসে শোক ও অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাভী দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলো।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এককালীন সহায়তার পাশাপাশি কোনো পরিবারের জন্য আয় করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হলে তা তুলনামূলকভাবে দীর্ঘস্থায়ী সুফল দিতে পারে। সেই বিবেচনায় ফিরোজার পরিবারকে গাভী দেওয়াকে আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category