• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

বিপিএল না হলেও ক্রিকেটারদের আয় ৪০ লাখ পর্যন্ত

newsline24 / ৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিপিএল না হলেও ক্রিকেটারদের আয় ৪০ লাখ পর্যন্ত
বিপিএল না হলেও ক্রিকেটারদের আয় ৪০ লাখ পর্যন্ত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এবার মাঠে না গড়ালেও দেশের ক্রিকেটারদের আর্থিকভাবে খুব বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়ানোর উদ্যোগের ফলে একজন ক্রিকেটার পুরো মৌসুম খেললে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছর বিপিএল আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। মূলত তড়িঘড়ি বা জোড়াতালি দিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন না করে পরিকল্পিতভাবে এগোনোর লক্ষ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিপিএল না হওয়ায় ক্রিকেটারদের আয় কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা তৈরি হয়।

এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের আর্থিক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বিসিবি। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে এ নিয়ে ইতোমধ্যে দুই দফা বৈঠক করেছে বোর্ড। সেখানে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং বিসিবিও পাল্টা প্রস্তাব দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার জন্য সময় নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিসিবির পরিচালকদের বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তামিম ইকবাল জানান, ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে একজন খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরো মৌসুমে অংশ নিলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন।

তামিম বলেন, কোয়াবের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাবের পর তিনি কোয়াবের সিনিয়রদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। ক্রিকেটাররা এই উদ্যোগে সন্তুষ্ট বলেও জানান বিসিবি সভাপতি।

তিনি বলেন, একজন খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরো মৌসুম খেললে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা করে পেতে পারেন। তার মতে, বিপিএল না থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটের মাধ্যমে ক্রিকেটারদের আয়ের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হবে।

ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিসিবির সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন তামিম। তিনি জানান, বোর্ডের মূল দায়িত্ব ক্রিকেটারদের পাশে থাকা এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করা। অতীতে ক্রিকেটারদের সঙ্গে নানা ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও ভালো করার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

নিজের ক্রিকেটার জীবনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তামিম। দীর্ঘদিন জাতীয় ও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কারণে খেলোয়াড়দের সুবিধা-অসুবিধা কিছুটা হলেও বোঝার সক্ষমতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ক্রিকেটারদের জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর কথাও জানান বিসিবি সভাপতি।

বিপিএল দেশের ক্রিকেটারদের আয়ের বড় একটি উৎস হলেও এবারের সিদ্ধান্তের পর ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়ানোর উদ্যোগ তাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন কাঠামোতে কোন কোন ঘরোয়া প্রতিযোগিতা ও ম্যাচের জন্য কত ফি নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

আপনি চাইলে এটাকে ৩৫০ শব্দের নিউজ বা আরও ঝরঝরে অনলাইন নিউজ স্টাইলে করে দিতে পারি—কোনটা চান?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category