• সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ফিলিপনগর,মরিচা,চিলমারী পদ্মার চরে জেগে ওঠা জমি নিয়ে উত্তেজনা: প্রকৃত মালিকদের দাবি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দৌলতপুরে আগুনের তাণ্ডব: পূর্ব ফিলিপনগরে পুড়ল ঘরবাড়ি-গবাদিপশু,দগ্ধ ২ ফিলিপনগর ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল ইউনিয়ন পরিষদে ফিরলো,স্বস্তি প্রকাশ সাধারণ জনগণের ঢাকাস্থ ফিলিপনগর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঢাকায় “কুষ্টিয়া বনশ্রী সোসাইটি ঢাকা” এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দৌলতপুর উপজেলা সমিতি ঢাকা,কুষ্টিয়ার বার্ষিক সাধারনসভা ও বনভোজন-২০২৬ অনুষ্ঠিত।। রাজশাহী বাঘা পদ্মার সীমান্তে অস্ত্র, গুলি ও ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার,আটক ১ দৌলতপুরে পদ্মার চরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের নীরবতা, জনমনে উদ্বেগ।। রাজশাহী বাঘার পদ্মারচরের চৌদ্দহাজার মৌজায় অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য-জরিমানা নওগাঁয় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে চলমান সফল অভিযান,দৃঢ় নেতৃত্বে এসপি তারিকুল ইসলাম

ফিলিপনগর,মরিচা,চিলমারী পদ্মার চরে জেগে ওঠা জমি নিয়ে উত্তেজনা: প্রকৃত মালিকদের দাবি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ

newsline24 / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

ঢাকা নিউজলাইন ডেস্ক।।কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর, মরিচা ও চিলমারী চরাঞ্চলে পদ্মা নদীর গর্ভে জেগে ওঠা নতুন জমি নিয়ে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব চরাঞ্চলের আবাদী জমির প্রকৃত মালিকরা ন্যায্য গিরফি (কন্টাক) মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং জমির দখল নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।বিশেষ করে চৈতালি ফসল মৌসুমে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।কৃষকরা যখন গম, ভুট্টা, খেসাড়ি ও মসুরসহ বিভিন্ন ফসল ঘরে তুলছেন,ঠিক তখনই কিছু প্রভাবশালী ও সুবিধাবাদী গোষ্ঠী জোরপূর্বক এসব ফসল তুলে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এতে প্রকৃত জমির মালিক ও চাষীরা চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছেন।স্থানীয়দের আশঙ্কা,এভাবে বিরোধ চলতে থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।ফিলিপনগর,মরিচা ও চিলমারী ইউনিয়নের চরাঞ্চলে বর্তমানে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।এদিকে প্রকৃত জমির মালিক ও চাষীরা দাবি জানিয়েছেন,স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আমিন (সার্ভেয়ার) দ্বারা জমি পরিমাপ করে বৈধ কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি হস্তান্তর করতে হবে।তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।উপজেলা সহকারী ভূমি-কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ এ বিষয়ে বলেন,“প্রকৃত জমির মালিকদের লিখিত অভিযোগ দিতে হবে।অভিযোগে যারা জবরদখল করে আবাদ করছে,তাদের নাম উল্লেখ করতে হবে।এরপর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে,কোনো জবরদখলকারীদের ছাড় দেওয়া হবেনা।”স্থানীয়দের মতে,দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category