• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

শুল্কমুক্ত মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের চার গুদাম সিলগালা

newsline24 / ১২ Time View
Update : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
শুল্কমুক্ত মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের চার গুদাম সিলগালা
শুল্কমুক্ত মদ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের চার গুদাম সিলগালা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের মালিকানাধীন ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর চারটি ওয়্যারহাউস সিলগালা করেছে যৌথ তদন্ত দল। প্রতিষ্ঠানটির গুদাম ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের তথ্য পাওয়ার পর তদন্তের স্বার্থে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে অভিযান চালিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১)। অভিযানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’ বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউস ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। অনুমোদিত গুদাম ছিল দুটি। তবে সরেজমিনে চারটি ওয়্যারহাউসে পণ্য মজুতের তথ্য পান তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অনুমোদনের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির এই পার্থক্যের বিষয়টি তদন্তে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চারটি ওয়্যারহাউসই সিলগালা করা হয়, যাতে তদন্ত চলাকালে সেখানে থাকা পণ্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই করা যায়।

এর আগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত মদ খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগও তদন্ত করছে এনবিআর। শুল্কমুক্ত পণ্য নির্দিষ্ট সুবিধাভোগীদের জন্য সরবরাহের ক্ষেত্রে নিয়ম ও অনুমোদনের শর্ত মানা হয়েছে কি না, সেটিই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের বিদেশি আর্থিক লেনদেন এবং সম্পদের তথ্য নিয়েও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো অনুসন্ধান করছে বলে জানা গেছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ গুলশানের ওয়্যারহাউসে পরিচালিত এই অভিযান সালমান মুক্তাদিরকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। এ বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াটি আগে থেকেই চলছিল।

সম্প্রতি সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। ফলে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন নিয়েও বিভিন্ন সংস্থার অনুসন্ধান চলছে।

তবে ওয়্যারহাউস সিলগালা এবং চলমান আর্থিক অনুসন্ধানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অভিযোগের নিষ্পত্তির তথ্য জানানো হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category