• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় নিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাজবাড়ীর আমবাগানে মিলল ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এএসআইকে সাময়িক বরখাস্ত প্রযুক্তি ও এআইতে দক্ষতা ছাড়া ভবিষ্যতে এগোনো কঠিন: অর্থমন্ত্রী ‘বাবা, আমাকে নিয়ে যাও’, শেষ মেসেজেই বাঁচার আকুতি তাজমিনের ষড়যন্ত্রের চেষ্টা হলে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ: ডিএনসিসি প্রশাসক নাভি পিল্লের হাতে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাঙ্গায় এসি বাসে মিলল ১,৮০০ ইয়াবা, গ্রেপ্তার যাত্রী সক্ষমতা ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতেই নিয়োগ পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষক: ববি হাজ্জাজ শিক্ষার মানোন্নয়নে ফলাফলভিত্তিক কারিকুলাম বাস্তবায়নের তাগিদ বাউবি ভিসির

রাজবাড়ীর আমবাগানে মিলল ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল

newsline24 / ১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
রাজবাড়ীর আমবাগানে মিলল ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল
রাজবাড়ীর আমবাগানে মিলল ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল

রাজবাড়ীর পাংশায় একটি আমবাগান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪২টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ককটেলগুলো কোনো নাশকতার পরিকল্পনায় ব্যবহারের জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রেখেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এসআরবি-১০। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাহিনীর ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল ভোর পৌনে ৬টার দিকে বিষ্ণুপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় স্থানীয় একটি আমবাগানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেলগুলো পাওয়া যায়।

এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ৪২টি ককটেলের কোনোটিই বিস্ফোরিত হয়নি। ঘটনাস্থলে এগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। তবে কে বা কারা ককটেলগুলো সেখানে রেখেছে, কী উদ্দেশ্যে সেগুলো মজুত করা হয়েছিল কিংবা এর সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ককটেলগুলো অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় সেগুলোর সম্ভাব্য ব্যবহার ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এসআরবি জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সাধারণত পরিত্যক্ত অবস্থায় বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে সেগুলোর উৎস, সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নির্ধারণ করা জরুরি হয়ে পড়ে। বিশেষ করে জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি এ ধরনের বস্তু থাকলে অসতর্কভাবে স্পর্শ বা সরানোর কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো বস্তু চোখে পড়লে সেটির কাছে না গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পাংশার বিষ্ণুপুর এলাকায় উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও এসআরবি-১০-এর বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category