• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী মাইকে ঘোষণা দিয়ে জড়ো, পুলিশের সামনেই সংঘর্ষে আহত ৩০ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে দান নয়, অধিকার নিশ্চিতের দাবি একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন বাংলাদেশে প্রথম স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের ৯০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার, মাদক কারবারির যাবজ্জীবন নগর জনস্বাস্থ্য প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রতিমন্ত্রীর তাগিদ দরিদ্রের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অর্থ বিভাগের চিঠি

মিশনের চাকরি ফেরাতে রাশেদ খানের উদ্যোগ, মায়ের হাতে নিয়োগপত্র

newsline24 / ১২ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
মিশনের চাকরি ফেরাতে রাশেদ খানের উদ্যোগ, মায়ের হাতে নিয়োগপত্র
মিশনের চাকরি ফেরাতে রাশেদ খানের উদ্যোগ, মায়ের হাতে নিয়োগপত্র

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগ নিয়ে জটিলতায় পড়েছিলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের হস্তক্ষেপে চাকরি ফিরে পেয়েছেন তিনি। বুধবার সকালে ঝিনাইদহ পৌর শহরের কলাবাগান পাড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মিশনের মায়ের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খান।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মিশনের চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয়টি ঘিরে সেখানে স্থানীয়দের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত প্রক্রিয়ায় মিশন আচার্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে তার নিয়োগপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। ফলে যোগ্যতা অর্জন করেও চাকরিতে যোগদানের বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

মিশনের নিয়োগ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আসে। এরপর তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মিশনের হাতে পৌঁছায় কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র।

বুধবারের অনুষ্ঠানে বক্তারা মিশনের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে নতুন কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য মিশন আচার্যের প্রতি আহ্বান জানান তারা। শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু চাকরি হিসেবে নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবেও পালন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মিশনের নিয়োগ ঘিরে তৈরি হওয়া জটিলতার অবসান তার পরিবারে স্বস্তি ফিরিয়েছে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় মিশনের পরিবারও সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা মিশনের পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন। মিশন আচার্যের নিয়োগের মধ্য দিয়ে স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে তৈরি হওয়া জটিলতারও অবসান হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category