• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এক বছরের মধ্যেই বদলে যাবে পুঁজিবাজারের চেহারা: অর্থমন্ত্রী প্রতিটি সিটি করপোরেশন-জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল, সীমান্তে বাড়ছে ঝুঁকি ‘পথশিশুদের ঘরে ফেরাতে ব্যবস্থা করবেন প্রধানমন্ত্রী: ডেপুটি স্পিকার’ কোনো ব্যক্তির দায় নেবে না দল, কঠোর হওয়ার বার্তা বাবরের সার মজুতের ঘটনায় জামায়াত নেতার সদস্যপদ বাতিল কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে ফিরবে পূর্ণ সক্ষমতা নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত জমিদার বাড়িতে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার ঘুমন্ত শিশুকে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ, মাদরাসাশিক্ষক পলাতক রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণে গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিটি সিটি করপোরেশন-জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

newsline24 / ৯ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
প্রতিটি সিটি করপোরেশন-জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান প্রধানমন্ত্রী
প্রতিটি সিটি করপোরেশন-জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় পরিকল্পিত নগরায়ন নিশ্চিত করতে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার কারণে সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসনের বিষয়টি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা বিশ্ব বসতি দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।

তিনি জানান, নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের আবাসনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধু একটি ঘর দেওয়াই ‘সবার জন্য বাসস্থান’ ধারণার লক্ষ্য নয়; এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার নিশ্চয়তাও যুক্ত।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনে নানা সমস্যা তৈরি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের অঙ্গীকার রয়েছে।

বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ তৈরি, সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। এ কাজে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শহর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে—বলে বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category