• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মক্কাসহ সৌদির ৫ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের চার দিনের রিমান্ড শেষে ফের রিমান্ডে গাজী নজরুল নভেম্বর-ডিসেম্বরে নয়, জানুয়ারিতে স্থানীয় ভোটের প্রস্তুতি জামায়াত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে: মীর শাহে আলম বিদ্রোহীদের বিএনপিতে ফেরার পথ বন্ধ: মীর শাহে আলম আওয়ামী লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের ফাঁসির হুঁশিয়ারি রাশেদের বিমান কিনছে আরও ১১টি বোয়িং, বাড়বে আন্তর্জাতিক রুট তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির অভিযোগে এনসিপি নেতার কারাদণ্ড

জামায়াত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে: মীর শাহে আলম

newsline24 / ১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জামায়াত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে মীর শাহে আলম
জামায়াত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিত্বের কথা ভুলে গেছে মীর শাহে আলম

জামায়াতকে ‘অকৃতজ্ঞ’ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে দলটি সেই রাজনৈতিক সহযোগিতার কথা ভুলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মীর শাহে আলম বলেন, ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারে জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই সময় তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করারও চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন জামায়াত অতীতের সেই বিষয়গুলো মনে রাখছে না।

বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সরকার জনগণের সরকার এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। অথচ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস না যেতেই লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে এবং দলের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে।

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে কিংবা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনসিপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। মীর শাহে আলমের দাবি, দল দুটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর ভাষ্য, পুরোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক আবারও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে বর্তমানে তারা যে আন্দোলন করছে, তা আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করার শামিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১১ দলীয় জোটের নেতাদের সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, সংসদের ভেতরে এক ধরনের বক্তব্য এবং বাইরে ভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তিনি তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্যে দ্বৈত অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

এনসিপির নেতাদের বয়স তুলনামূলক কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও বক্তব্য দেওয়ার সময় শালীনতা ও সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, দলটির কিছু নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় কথা বলেন।

বিএনপি কোনো রাজনৈতিক হুমকিকে পরোয়া করে না উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, গত নির্বাচনে যারা বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছে, তাদের দলে আর জায়গা হবে না। দলের দুঃসময়ে যারা নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলের জন্য যারা কাজ করেছেন, তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অনুষ্ঠানে মূলত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব খন্দকার আরাফাত হোসেন।

এ সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, বাংলাদেশ এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রধান ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, পটিয়ার এমপি এনামুল হক, ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার লোকমান আহমদ, আমিনুর রহমান চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন এবং চট্টগ্রাম জেলা জজ ও দায়রা আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category