কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড বা অপরাধের দায় দল নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাবর। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী আরও কঠোর অবস্থান নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বাবর বলেন, দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে, যার দায় তার নিজের, সেটির দায়িত্ব দল নেবে না। দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ আইনবহির্ভূত বা অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ও দলের অবস্থান স্পষ্ট। কোনো ব্যক্তি দলীয় পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পার পেয়ে যাবেন—এমন সুযোগ দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
বাবরের বক্তব্যে ব্যক্তির কর্মকাণ্ড এবং দলের সাংগঠনিক অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তার মতে, একজন ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের দায় পুরো দলের ওপর চাপানো ঠিক নয়। একইভাবে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় থাকতে হবে।
তিনি বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হলে সেটি করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও কঠোর হবেন—বাবরের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত—এমন বার্তাই পাওয়া গেছে। বিশেষ করে দলীয় পরিচয়ের অপব্যবহার ঠেকানো এবং ব্যক্তির দায় ব্যক্তিকেই বহনের নীতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
বাবরের বক্তব্যে একই সঙ্গে দলের অবস্থানও পরিষ্কার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো দলকে দায়ী না করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা ও দায় আলাদাভাবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় পরিচয়কে ব্যবহার করে কেউ যেন অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও উঠে এসেছে।