প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের সমালোচনা করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তার অভিযোগ, যাচাই-বাছাই না করে এমন একটি ছবি নিয়ে প্রশ্ন তোলা দায়িত্বশীল আচরণের মধ্যে পড়ে না।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন আবু হানিফ।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই অধিবেশনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতা ও তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি রিসেপশনের আয়োজন করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানও অংশ নেন বলে জানান তিনি।
আবু হানিফের ভাষ্য, শনিবার ওই রিসেপশনে প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর অংশ নেওয়ার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। পরে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে ছবিটি এআই-নির্মিত নয় বলে নিশ্চিত হওয়ার পর আসিফ মাহমুদ তার দেওয়া পোস্টটি মুছে দেন বলে দাবি করেন আবু হানিফ।
তার আরও দাবি, পোস্টটি মুছে ফেলার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষ ছবিটিকে এআই-নির্মিত বলে প্রচার শুরু করে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদের সমালোচনা করে আবু হানিফ বলেন, কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিলে তা দেশের জন্য গর্বের বিষয়। এমন একটি অনুষ্ঠানের ছবি নিয়ে যথাযথ যাচাই ছাড়া প্রশ্ন তোলা দায়িত্বশীল আচরণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই পোস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে এনসিপিও যুক্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আবু হানিফ। তার দাবি, এ ধরনের প্রচারের ক্ষেত্রে জামায়াত-শিবিরের পাশাপাশি এখন এনসিপির ভূমিকাও দেখা যাচ্ছে।
তবে আসিফ মাহমুদের পোস্ট মুছে ফেলার কারণ কী ছিল এবং আবু হানিফের এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য কী—তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।