মাগুরার মহম্মদপুরে গ্রামের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে এলাকায় বিদ্যুতের বড় ধরনের সংকট বা অতিরিক্ত ভোগান্তি তিনি দেখছেন না।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মহম্মদপুর উপজেলার নিজ গ্রাম পানিঘাটায় অবস্থানকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রবিউল ইসলাম নয়ন নিজের দুটি মুঠোফোনের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, আগে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ফোনে চার্জ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। এখন তাঁর দুটি ফোনেই চার্জ আছে। তাঁর ভাষ্য, দুটি ফোনেই চার্জ থাকা থেকেই বিদ্যুতের ঘাটতি আগের তুলনায় কমেছে বলে ধারণা করা যায়।
নয়ন বলেন, গ্রামে ফেরার পর তিনি বড় ধরনের বিদ্যুৎ সমস্যা অনুভব করেননি। যতটুকু লোডশেডিং দেখেছেন, সেটিকে তাঁর কাছে নতুন কোনো পরিস্থিতি বলে মনে হয়নি। তাঁর দাবি, ছোটবেলা থেকেই এলাকার ইউনিয়নগুলোতে যে ধরনের লোডশেডিং দেখে আসছেন, বর্তমানে মূলত সেই ধরনের পরিস্থিতিই রয়েছে।
তিনি বলেন, সারা জীবন গ্রামে যে পরিমাণ লোডশেডিং দেখে এসেছেন, বর্তমানে তার বাইরে বড় কোনো সমস্যা তাঁর চোখে পড়েনি। সাধারণত প্রায় এক ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ের যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, এবারও তেমনটাই পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
রবিউল ইসলাম নয়নের বক্তব্যে গ্রামের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই উঠে এসেছে। তিনি বর্তমানে এলাকায় বিদ্যুতের ‘আহামরি’ কোনো সংকট বা বড় ধরনের ভোগান্তি নেই বলেও দাবি করেন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রামাঞ্চলে মানুষের অভিজ্ঞতা অবশ্য এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে। লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে স্থানীয় চাহিদা, সরবরাহব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতির ওপর। তবে নয়নের বক্তব্য অনুযায়ী, মহম্মদপুরের পানিঘাটায় তাঁর অবস্থানকালে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তাঁকে বড় ধরনের সমস্যায় ফেলেনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দেওয়া বক্তব্যে তিনি মূলত নিজের দেখা পরিস্থিতির ভিত্তিতেই বিদ্যুৎ সংকটের মাত্রা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল—আগের তুলনায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে দৈনন্দিন কাজে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না এবং লোডশেডিংও তাঁর পরিচিত মাত্রার মধ্যেই রয়েছে।