কুষ্টিয়া দৌলতপুর এর সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ মাষ্টার ফৌজদারি মামলার আসামি,উঠেছে নানান অভিযোগ

newsline24newsline24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:32 PM, 20 May 2024
Oplus_131072

আব্দুস সবুর ঢাকা: কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার দুই নং মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ মাষ্টার।আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের মন্ডল পাড়া গ্রামের মৃত উকিল হাজীর ছেলে মোঃবায়েজিদ মাষ্টার(৪২),তিনি দৌলতপুর উপজেলার দুই নং মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ মাষ্টার বর্তমান উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটানা পাঁচ বছর কর্মরত।কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার দুই নং মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী হিসেবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সংলগ্ন এলাকার একটি স্কুলে প্রথমে তার যোগদান ছিল,সেই সুবাধে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে বায়েজিদ মাষ্টারের।পরবর্তীতে অনেক টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে তার নিজ বাড়ি আদাবাড়ীয়া মন্ডল পাড়া মাঠ সংলগ্ন গ্রামের নিকটে মশাউড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদান করেই মাদকের সম্রাট বনে যান এই বায়েজিদ মাষ্টার।মামলাসূত্রে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে গত ২৬/০৪/২০২৪ তাং রাত অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় জাতীয় পত্রিকা দৈনিক “নওরোজ” এর স্টাফ রিপোর্টার সহ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার সাধারন সম্পাদক দৈনিক সংবাদ সারাবেলা জেলা প্রতিনিধি মাহমুদ হাসান,মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি মিলন খন্দকার একত্রে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আদাবাড়ীয়া মন্ডল পাড়ার এক গর্ভবতী নারীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করে তাঁর শিশু সন্তানতে হত্যার বিষয়ে আদাবাড়ীয়া বড়বাজারের অবৈধ ফার্মেসী ব্যবসার ভুয়া ডাক্তার সাদ্দাম হোসেন ও একই গ্রামের নামকরা মাদক ব্যাবসায়ী,মাদকের ডিলার সাহাজুলে বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে ফেরার পথে আদাবাড়ীয়া বড় বাজারে সাংবাদিকদের প্রাইভেট গতিরোধ করে ভুয়া ডাক্তার সাদ্দাম হোসেন ও তার আপন ভাই হুমায়ুন ও সকল অপকর্মের হোতা বায়েজিদ মাষ্টার গং এর অন্যতম মাদক ব্যাবসায়ী সাহাজুলের আক্রমনকারীদল।সাংবাদিকদের উপর হামলার বিষয়ে দৌলতপুর থানাতে ১৯৬০-পেনাল কোড- ১৪৩,৩৪১,৩২৩,৩২৫,৩৭৯,৫০৬(২)/১৪৪ ধারাতে একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে,যাহা দৌলতপুর থানার মামলা নং-৪১,দৌলতপুর জিার ৪১/১৭৩,হামলার নেতৃত্বে ছিলেন,দুই নং মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ মাষ্টার ও তার আপন আরো দুই ভাই সহ সংঘবদ্ধ মারপিটকারী ও হামলাকারীদল।প্রাইভেট থেকে নামিয়ে তিন সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাখে,অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বেদড়ক মারধর করে,তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত ক্যানন ১০০,ভিডিও কামেরা কেড়ে নেয় বায়েজিদ মাষ্টার গং।এর মধ্যে এক সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়।এ ঘটনায় স্থানীয় কর্মরত সাংবাদিকদের ও কুষ্টিয়া জেলার সাংবাদিকদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।বায়েজিদ মাষ্টার এর বিষয়ে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল ও বিস্তর অভিযোগ!বায়েজিদ মাষ্টার অত্র এলাকার মানুষ গড়ার কারিগর,অথচ এলাকাতে যেখানেই কোনো ঝামেলা,মাদক ব্যাবসায়ীদের বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে তোতবির,মাশওয়ারা সুবিধা গ্রহন,চোর-ছিনতাইকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ সুপারিশ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসলেও বাড়ির পাশেই কর্মস্থল হওয়া সুবিধার ক্ষেত্রে নানান অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পক্ষে কাজ করা,মাদক ব্যাবসায়ীদের নগদ অর্থ দিয়ে মাদক ব্যাবসার কাজে সহায়তা করা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান এর ক্ষেত্রে বাসস্থলের পোশাক পরে কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা,অবৈধভাবে ড্রাগ(ঔষধ)ব্যাবসার পক্ষে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে থেকে তার তৈরি করা নিয়মানুযায়ী বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে নগদ টাকা উত্তোলন সহ বিস্তর অভিযোগের খাতা খুলে দেদারচে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে চলেছে এই বায়েজিদ মাষ্টার।বায়েজিদ মাষ্টার এর নানান অপকর্মের ঢাল-তার দুই ভাই সহ শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী সাহাজুল।আদাবাড়ীয়া মশাউড়া,দাড়েরপাড়া দৌলতখালী গ্রামগুলোতে মাদক সাপ্লাইয়ের অন্যতম এজেন্ট হিসেবে জনশক্তি রয়েছে বায়েজিদ মাষ্টার গংদের অন্যতম বায়েজিদ মাষ্টার।বায়েজিদ মাষ্টার ও ভুয়া ডাক্তার সাদ্দাম গংদের অন্যতম সদস্য মাদক ব্যাবসায়ী ডিলার সাহাজুল,আর এই সাহাজুল কে দিয়েই মাদক কারবারের সাথে ওৎপ্রোত ভাবে জড়িত বায়েজিদ মাষ্টার গং।বায়েজিদ মাষ্টার কর্মরত দৌলতপুর উপজেলার দুই নং মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সাথে যোগাযোগ করে বায়েজিদ মাষ্টার এর মামলা বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,যে সকল বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে,আমি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অবগত করে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।উল্লেখিত স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,আমাদের সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ মাষ্টার এর বিষয়ে সাংবাদিক মারার মামলা হয়েছে, গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে ছিলো,কিন্তুু মাদক সংক্রান্ত সহ নানান অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পেলে বিভাগীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করবো উর্ধতন কর্মকর্তাদের।বায়েজিদ মাষ্টার এর মামলা ও উল্লেখিত অভিযোগ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইদা সিদ্দীকার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বায়েজিদ মাষ্টার এজাহাভুক্ত ও নানান অভিযোগ এর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে,তিনি সাংবাদিক কে বলেন,আপনাদের মত এমন অনেকেই নানান সময় নানানভাবে বক্তব্য নিয়েছেন, সহকারী শিক্ষক বায়েজিদ হোসেন এর বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবো,উপজেলা নির্বাচনের ডিউটি নিয়ে বিজি আছি,লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন,দেখবো।

আপনার মতামত লিখুন :