কুষ্টিয়ার দৌলপুরে অপহৃত স্কুল ছাত্র উদ্ধার আটক -১

newsline24newsline24
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:08 AM, 24 March 2024

আব্দুস সবুর ঢাকাঃ কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত কাষ্টমমোড় থেকে নিচপাড়া এলাকার তোফাজ্জেল হোসেন এর ছেলে তৃতীয় শ্রেনীর স্কুল ছাত্র সাইফ(০৮) অপহরন এর ঘটনায় দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই শামীম ও এ এস অই আশরাফ অপহৃত ছাত্র কে দ্রুুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাগজোত কাস্টমমোড় থেকে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র সাইফ কে বাবার কাছে পৌছে দেওয়ার নাম করে মটরসাইকেলে উঠিয়ে অপহরন করে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ইকুড়ী চল্লিশপাড়া গ্রামের একরামুল হোসেন এর ছেলে সবুজ হোসেন (২২) সহ অজ্ঞাত দুইজন।অপহরনের খবর অপহৃত সাইফের পরিবারের কাছে ফোনকলকরে জানায় আসামী সবুজ হোসেন।অপহরনের খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষথেকে দ্রুত দৌলতপুর থানাকে জানালে এস অই শামীম ও এ এস আই আশরাফ ভিকটিমকে উদ্ধার অভিযানেরতৎপরতা শুরু করলে মথুরাপুরের অজ্ঞাত স্থান থেকে অপহৃত ছাত্র সাইফকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় দৌলতপুর থানা পুলিশের অভিযানিকদল।এসময় আসামীদের আটক করতে সিসি ক্যামেরা দেখে সনাক্ত করার কয়েক ঘন্টার অভিযানে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আসামীকে আটক করে পুলিশ।আসামীর কাছ থেকে অপহরন কাজে ব্যবহৃত মটরসাইকেল জব্দ করা হয়।অপহৃত তৃতীয় শ্রেনীর স্কুল ছাত্র সাইফের বাবা তোফাজ্জেল হোসেন জানান,ঘটনার দিন ভাগজোত কাষ্টম মোড় থেকে স্কুল ছুটির পর আমার ছেলেকে অপহরন করে আসামী সবুজসহ অজ্ঞাত আসামীরা।অপহৃত তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল ছাত্র সাইফের বাবা বলেন,চড়ইকুড়ী চল্লিশপাড়া এলাকার চিন্থিত সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে আমরা বাড়িঘর ছেড়ে চলে আএসেছি।তার পরও এই সন্ত্রাসীরা আমাদের পরিবারে ক্ষতি করতে মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে।এই সন্ত্রাসীরা অতীতে আমার উপর দুইবার গুলিসহ হামলা চালায়।এই অপহরনের সাথে তাদের শত ভাগ সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করেন তোফাজ্জেল।সিসি ফুটেজ দেখে চিন্থিত আসামী সবুজ হোসেন সহ আরো অজ্ঞাতদের নাম দিয়ে এজাহার দায়ের করেছি।সঠিক তদন্ত হলে এই ঘটনার নেপথ্যের সন্ত্রাসীদের নাম বের হয়ে আসবে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শামীম বলেন,অপহরনের খবর পাওয়ার পর থেকে ওসি স্যারের নির্দেশে অভিযান শুরু করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিকটিম স্কুল ছাত্রকে উদ্ধার করি।দৌলতুপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান,স্কুল ছাত্র অপহরন হয়েছে এমন খবর পাওয়ার পর থেকে পুলিশ কাজ করতে শুরু করে।সিসি ফুটেজ দেখে আসামী সনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামী আটক করা হয়েছে।আটককৃত আসামী সবুজ প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় থানায় অপহরনের বিষয়টি স্বীকার করে।তিনি আরো বলেন,আসামী সবুজ হোসেনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দী নেওয়া হয়েছে।সে দোষ স্বীকার করে অন্য আসামীদের নাম প্রকাশ করেছে আদালতে।এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :